Back to Dashboard
16 Sources
#trending
#india
Madhya Pradesh News: হাসপাতালের লিফট থেকে ছিনতাই কর্মীর মঙ্গলসূত্র, অভিযুক্ত নার্সিংয়ের ছাত্র, কেন চুরি করেছিলেন তিনি?
Madhya Pradesh News: মাত্র ৫৪ সেকেন্ড ! তার মধ্যেই লিফটের মধ্যে ঢুকে মহিলার গলা থেকে এক হ্যাঁচকা টানে মঙ্গলসূত্র ছিনতাই করে পালিয়েছিল আততায়ী। কিন্তু সেই অভিযুক্ত ধরা পড়েছে পুলিশের হাতে, তাও আবার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই। ভোপাল AIIMS- এর লিফটে ঘটেছিল এই কাণ্ড। খোয়া গিয়েছিল হাসপাতালেরই এক মহিলা কর্মীর গলার মঙ্গলসূত্র। প্রায় ৪৫টি সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। সবচেয়ে অদ্ভুত অভিযুক্ত ওই হাসপাতালেরই একজন নার্সিং পড়ুয়া, ২৫ বছরের সুনীল মীনা। নার্সিংয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র অভিযুক্ত সুনীল। জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন লিফটে ছিলেন বর্ষা সোনি। ভোপাল AIIMS- এর গায়নোকোলজি বিভাগের অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত তিনি। রবিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালের ভিতরের লিফটে উঠেছিলেন বর্ষা। প্রায় একই সঙ্গে ওই লিফটে ওঠেন সুনীল। এরপর যা ঘটেছে তা সিনেমার থেকে কোনও অংশে কম নয়। আচমকাই বর্ষার গলার মঙ্গলসূত্র ছিনিয়ে পালান সুনীল। ঘটনার আকস্মিকতায় বর্ষা এতটাই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন যে বাধা দেওয়ার সুযোগটুকুও পাননি। পুরো ঘটনা ধরা পড়েছিল লিফটে থাকা সিসি ক্যামেরায়। এই সিসি ক্যামেরা ছাড়াও হাসপাতালে থাকা প্রায় সব সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখেছিল পুলিশ। আর তার ফলেই চেনা যায় অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, সুনীল মীনা আদতে রাজস্থানে বারন জেলার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর কীর্তিকলাপের ভিডিও আগেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ভোপাল AIIMS হাসপাতাল চত্বর এবং লিফটের সিসিটিভি ফুটেজের উপর পুলিশের লাগাতার নজরদারির ফলেই দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়েছে অভিযুক্তকে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত জানিয়েছেন, আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অনলাইনে টাকার লেনদেন করতে গিয়েই সমস্যায় পড়েছিলেন। আর্থিক সমস্যা থেকে উদ্ধার পেতে বন্ধুদের থেকেও টাকা ধার করেছিলেন। দেনার দায়ে ছিলেন সুনীল। ধার মেটানোর জন্য এবং নিজের বিলাসবহুল জীবনযাপন বজায় রাখার জন্যই হার ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, দামি মোবাইল, বিলাসবহুল গাড়ি কেনার জন্য টাকা দরকার ছিল অভিযুক্ত সুনীলের। এখানেই শেষ নয়। নিজের বিলাসবহুল জীবনযাপন বজায় রাখার জন্য, বান্ধবীদের পিছনে টাকা ওড়ানোর জন্যও টাকার প্রয়োজন হতো নার্সিংয়ের তৃতীয় বর্ষের এই ছাত্রের। পুলিশ সূত্রে খবর, ছিনতাইয়ের পর একটি সোনার দোকানে মঙ্গলসূত্রটি বিক্রিও করে দিয়েছিলেন সুনীল। তবে তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। যার কাছ থেকে এই মঙ্গলসূত্র উদ্ধার করা হয়েছে, তাকেও এই মামলা অভিযুক্ত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আর উদ্ধার হওয়া মঙ্গলসূত্রও প্রমাণ হিসেবে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।
Sources: ABP Ananda - India, Hindu, NDTV +13 more
AI Content Studio
Powered by Gemini
New Project